



SERVICES
প্রশান্তি মাদকাসক্তি পুনর্বাসন কেন্দ্র একটি পরিবার, এখানে আমরা সবাই এক সঙ্গে মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করি। একজন ব্যক্তি যখন এ পরিবারের সদস্য হয় তখন ঐ ব্যক্তিকে সাহায্য করা অন্য সবার দায়িত্ব হয়ে পরে। আসক্ত ব্যক্তির কার্যকলাপের জন্য পরিবারের অন্য সদস্যরা হতাশাগ্রস্থ, দ্বিধাগ্রস্থ ও অসহায় হয়ে পড়ে। তাদের জন্য প্রশান্তি 'ফ্যামিলি সাপোর্ট টিম'। চব্বিশ ঘন্টাই সাহায্য, পরামর্শ ও কাউন্সেলিং এর জন্য প্রস্তুত। বিশ্বমানের চিকিৎসা দেশীয় আঙ্গিকে , দেশীয় সমাজ ব্যবস্থার উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে।
১
নিয়মিত মেডিকেল চেকআপ।
অভিজ্ঞ ডাক্তার (সাইকিয়াট্রিস্ট, মেডিসিন, সাইকোলজিস্ট ) ও প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত দক্ষ জনবল।
২
সব ধর্মের সমান অধিকার
ধর্মীয় শিক্ষা ও পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের ব্যবস্থা।
৩
সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ
চব্বিশ ঘণ্টা মনিটরিং ও সি সি ক্যামেরা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ।
৪
গ্রুপ কাউন্সেলিং
ব ্যক্তিগত কাউন্সেলিং এর ব্যবস্থা
৫
ফ্যামিলি কাউন্সিলিং
ফ্যামিলি সাপোর্ট টিম

ABOUT
All about
Proshanti
প্রশান্তি মাদকাসক্তি পুনর্বাসন কেন্দ্র
প্রশান্তি মাদকাসক্তি পুনর্বাসন কেন্দ্র এটি এমন একটি জায়গা যেখানে মাদকে আসক্ত যুবকদের মাদকের নেশা থেকে মুক্ত করার প্রচেষ্টা করা হয়। মাদকাসক্তি পুনর্বাসন কেন্দ্রের শারীরিক, মানসিক চিকিৎসা ও সহযোগিতার মাধ্যমে মাদকাসক্ত অবস্থা থেকে সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনা হয়।
যুবকরাই হলো ভবিষ্যৎ। তাই তাদের সঠিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। যুবকদের মনোরোগ নিশ্চিত করে, আসক্ত হওয়ার পেছনের কারণ নির্ণয় করে, সঠিক চিকিৎসা দেওয়াই প্রশান্তি মাদকাসক্তি পুনর্বাসন কেন্দ্রের উদ্দেশ্য।
ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা চিন্তা করে প্রশান্তি মাদকাসক্তি পুনর্বাসন কেন্দ্র পরিকল্পনার মাধ্যমে সেবা নিশ্চিত করে। মাদকাসক্ত যুবক, কিশোর কখনোই ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সঠিক পথে নিয়ে যেতে পারে না। তাদের সঠিক শুশ্রূষা ও যত্ন নিশ্চিত করাই প্রশান্তি মাদকাসক্তি পুনর্বাসন কেন্দ্রের মূল লক্ষ্য।
কোনো মানুষ কখনোই নিজের ইচ্ছায় মাদকআসক্ত হয় না। কেউ জেনে বুঝে মাদকের মতো কঠিন ফাঁদে পা দেয় না। স্বভাবতই কোন মানসিক যন্ত্রণা, পারিপার্শ্বিক অবস্থা, পারিবারিক সমস্যা, ব্যক্তিগত সমস্যা ইত্যাদির কারণে মানুষ ভেঙে পড়ে। আর তখনই মানসিক শান্তি খোঁজার জন্য মাদকের আশ্রয় নেয়। মাদকাসক্ত হওয়া অবশ্যই দুর্বল মস্তিষ্কের কাজ।
তবে তা ধীরে ধীরে একজন সুস্থ মানুষকে করুন পরিনতির দিকে নিয়ে যায়। মাদকদ্রব্য অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে তার উপর আসক্তি জন্মায়। আর তখনই মাদকদ্রব্য শারীরিক, মানসিক সকল দিক থেকে মানুষকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে শুরু করে। মাদকদ্রব্যের ওপর আসক্তি জন্মালে তাকে মাদকাসক্ত বলে।
মাদকাসক্ত কখনোই কারো জন্য কাম্য নয়। মাদকাসক্ত এর কারণে হরমোনে ভারসাম্যহীনতা দেখা যায়। শরীরে মাদকদ্রব্যের চাহিদা বৃদ্ধি পায়। এ অবস্থায় মাদকদ্রবের প্রতি আসক্তি কমাতে প্রয়োজন পড়ে মাদকাসক্তি পুনর্বাসন কেন্দ্রের।
প্রশান্তি মাদকাসক্তি পুনর্বাসন কেন্দ্রের কাজ করার পদ্ধতি
প্রশান্তি মাদকাসক্তি পুনর্বাসন কেন্দ্রতে একটি পারিবারিক পরিবেশ তৈরি করা হয়। যেখানে মনকে প্রফুল্ল রাখতে এবং শান্তি বজায় রাখতে সহায়তা করবে। এতে করে রোগী স্বাভাবিকভাবে শান্ত মস্তিষ্কে শান্তভাবে চিন্তা সক্ষম হবে। ফলে তাদের যে চিন্তা ক্ষমতা কিংবা মানসিক শক্তির অভাব ছিল। তা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাবে।
সাধারণত আত্মবিশ্বাস এর অভাবে কিংবা পারিপার্শ্বিক কোনো হতাশাজনক বিষয় এর কারনে মাদকাসক্তি আসে। এতে করে রোগীর নিজের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ধীরে ধীরে কমে এবং মাদকের দিকে আকৃষ্ট হয়। এই জিনিসটাকে খেয়ালে রেখে প্রশান্তি মাদকাসক্তি পুনর্বাসন কেন্দ্র গড়ে উঠেছে।
পারিবারিক পরিবেশ তৈরির ফলে নিজস্ব আত্মবিশ্বাস সৃষ্টি হয় এবং নিজের যে গুণ গুলো সুপ্ত অবস্থায় ছিল তা ধীরে ধীরে প্রকাশ পেতে থাকে। এতে করে প্রশান্তি মাদকাসক্তি পুনর্বাসন কেন্দ্র কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
প্রশান্তি মাদকাসক্তি পুনর্বাসন কেন্দ্র চিকিৎসা এবং মানসিক ভারসাম্য বৃদ্ধির জন্য নানা ধরনের সামাজিক কার্যক্রম করা হয়ে থাকে। একজন মাদকাসক্ত ব্যক্তি যখন সমাজের মধ্যে সামাজিক পরিবেশে থাকে, তখন অন্যরা তার দিকে ভিন্ন ভাবে তাকায়। ফলে মাদকাসক্ত ব্যক্তি সমাজের মধ্যে থাকলেও, একাকীত্ব বোধ করে।
তাই প্রশান্তি মাদকাসক্তি পুনর্বাসন কেন্দ্র সামাজিক পরিবেশ তৈরীর মাধ্যমে চিকিৎসা দানের ব্যাপারটি খুবই কার্যকর ভূমিকা পালন করে।



APPROACH
Our goal is to protect what you care about most
প্রশান্তি মাদকাসক্তি পুনর্বাসন কেন্দ্র সাধারণত বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে চিকিৎসা প্রদান করা হয়ে থাকে। রোগীর অবস্থা বুঝে চিকিৎসা প্রদান করা হয়।
BENEFITS
মাদকাসক্তির চিকিৎসা পদ্ধতি হচ্ছে বিশ্বের স্বীকৃতি প্রাপ্ত দীর্ঘ মেয়াদী পুনর্বাসন পদ্ধতি। কেননা মাদকাসক্তি হচ্ছে এমন একটি মনো দৈহিক রোগ, যা শুধু ডিটক্রিফিকেশন সেন্টারের শারীরিক চিকিৎসার মাধ্যমে এ রোগ হতে মুক্তি পাওয়া স্মভব না
প্রথম পর্যায়
এ পর্যায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো রোগীর বর্তমান অবস্থা বুঝে, তাকে কোন ধরনের চিকিৎসা দেওয়া হবে, কতদিন চিকিৎসা প্রদান করা হবে, তা নির্ধারণ করা হয়। পাশাপাশি তার কোন কোন অংশে, কোন কোন ক্ষেত্রে চিকিৎসা প্রদান করতে হবে, তার অবস্থার উন্নতি জন্য কোন কোন বিষয়ে অধিক গুরুত্ব দিতে হবে সেটাও নির্ধারণ করা হয় এ পর্যায়ে। এ পর্যায় কিছুটা দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং এ পর্যায়ের ফলাফলের উপর নির্ভর করে।
দ্বিতীয় পর্যায়
এ পর্যায়ে রোগীর প্রথম পর্যায়ের উপর নির্ভর করে চিকিৎসা নির্ধারণ করা হয়। মূলত প্রথম পর্যায় রোগীর কতটুকু উন্নতি হয়েছে। এবং কতটুকু চিকিৎসা কার্যকর হয়েছে। তা সঠিকভাবে মূল্যায়ন করা হয়। পাশাপাশি কোন ক্ষেত্রে চিকিৎসা দেওয়ার পরও উন্নতি হয়নি তাও এ পর্যায়ে নিরধারন করা হয়।
পরবর্তীতে কোন কোন ক্ষেত্রে পুনরায় চিকিৎসা প্রয়োজন তাও এ পর্যায়ে নির্ধারণ করা হয়। এই পর্যায়ের মাধ্যমে রোগীর কাউন্সিলিং সম্পন্ন হয়। পাশাপাশি রোগীর পূর্ববর্তী চিকিৎসায় কোন ক্ষেত্রে অধিক গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। বা কোন ক্ষেত্রে ফলাফল ভালো হয়েছে তা পর্যালোচনা করা হয়।
এছাড়াও এ পর্যায়ে ঠিক করা হয় পরবর্তী চিকিৎসা কেমন হবে। কারণ প্রথম পর্যায়ের চিকিৎসার মাধ্যমে নির্ধারিত হয়ে যায় যে রোগীর কোন ধরনের চিকিৎসায় ফলাফল ভাল হয় এবং কোন ধরনের চিকিৎসায় খারাপ হয়। তাই এ পর্যায়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়।
তৃতীয় পর্যায়
তৃতীয় পর্যায় বা শক্তিশালী পর্যায়। এ পর্যায়ে রোগীর মানসিক শক্তি বৃদ্ধির উপর কাজ করা হয়। প্রশান্তি মাদকাসক্তি পুনর্বাসন কেন্দ্র আবাসিক ও পারিপার্শ্বিক অবস্থার ওপর নির্ভর করে রোগীর মানসিক অবস্থার কতটা উন্নতি হয়েছে বা হতে পারে তা দেখা হয়।
এ পর্যায়ের চিকিৎসাধীন যে কোন ব্যক্তি নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেয়ে যায়। হারিয়ে ফেলা মানসিক শারীরিক শক্তি পুনরায় ফিরে পাওয়ায় রোগী আত্মবিশ্বাসী হয়।
চতুর্থ পর্যায়
চতুর্থ পর্যায় বা শেষ পর্যায়। এ পর্যায়ে মূলত রোগীর প্রায়োগিক ক্ষমতাকে দেখা হয়। রোগীর উপর ভিন্ন ভিন্ন পরিবেশ, পরিবর্তন এবং সে পরিবেশের উপর নির্ভরশীলতা সবকিছুই গবেষণা করা হয়।
রোগী কতটুকু নিজেকে আয়ত্ত করতে পেরেছে এবং সাধারণ সমাজে ফিরে যাওয়ার জন্য রোগীর কি প্রয়োজন। তা এ পর্যায়ে পরীক্ষা করে দেখা হয়। এই পর্যায় মূলত শেষ পর্যায়। এই পর্যায়ের পরেই রোগীকে ডিসচার্জ করে দেওয়া হয়।
পরিচালকবৃন্দ
আমাদের পরিচালকগন

মাদকাসক্তি জীবন থেকে জীবন কেড়ে নেয়।
মোঃ সাইফুদ্দিন লাভলু

একজন মাদকাসক্তি ব্যক্তি পাগলও নয়, খারাপও নয়, তিনি অসুস্থ।
মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম

নিজে সুস্থ থাকবো এবং অন্যকে সুস্থ রাখবো
মোঃ আবু তাহের
FAQ
You're probably
wondering...
Frequently asked questions




.png)
.jpg)
